সর্বশেষ :
বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে পরীমনির ‘মজা’ পুশ ইনে এত আগ্রহ থাকলে শুভেন্দুকে পাঠিয়ে দিন, তার বাড়ি বরিশাল প্রেমিকার সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে সমালোচনায় ট্রুডো নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি: সিসিক প্রশাসক কয়েস লোদীসহ দেশের ৮ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব গ্রহণ শাপলা ট্র্যাজেডি থেকে পরীমণি: গত এক দশকে বেনজীর ছিলেন সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে মৌলভীবাজারের শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবনের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ উইকেটে হার বাংলাদেশের গোলাপগঞ্জে হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা জিলু পুলিশের জালে ৪ থানার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ রাজু এবার বিশ্বনাথ পুলিশের জালে, রয়েছে ১৩টি মামলা!

দক্ষিণ সুরমায় বাস পোড়ানো মামলা থেকে খালাস পেলেন ইলিয়াস-জামানসহ ৩৮ জন

দক্ষিণ সুরমায় বাস পোড়ানো মামলা থেকে খালাস পেলেন ইলিয়াস-জামানসহ ৩৮ জন

স্টাফ রিপোর্টার

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও এক যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলী, অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮জন আসামি।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে এই মামলার স্বাক্ষী-প্রমাণ জেরা শেষে আসামীরা নির্দোষ প্রমাণিত হলে মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেট’র (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এই মামলা থেকে আসামীদেরকে খালাসির রায় ঘোষণা করেন।

আসামী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত, অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ প্রমুখ।

মামলার বিবরণীর সূত্র মতে, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ সুরমার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় সিলেট হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেস (ঢাকা মেট্রো-ব-০২০১৩৩) যাত্রীবাহী বাস পোড়ানো এবং একই সঙ্গে আরেকটি যাত্রীবাহী বাস (সিলেট-জ-১১-০৩৪৪) ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহত হন চিত্র নায়িকা শাবনূরের পিতা কাজী নাছির (৭০)। যার পরিচয় শনাক্ত হয়েছিল বেওয়ারিসভাবে লাশ দাফনের ১৩দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি। নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দিয়ে এক নারী দাবি করেছেন, নিহত ব্যক্তি চিত্রনায়িকা শাবনূরের বাবা।

জোৎস্না বেগম নামে ওই নারীর বক্তব্য অনুযায়ী, নিহতের নাম কাজী নাছির (৭০)। বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে নাছিরের পরিচয় সনাক্ত করেন।

ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চলাকালে দাক্ষণ সুরমার চণ্ডিপুল বদিকোনা এলাকায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। এতে বাসের মধ্যেই মারা যান ওই বৃদ্ধ। দুইদিন পর ২০ ডিসেম্বর বেওয়ারিশ হিসেবে ওই ব্যক্তির লাশ নগরীর মানিকপীরের গোরস্থানে দাফন করে পুলিশ।

তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত সাংবাদিকদের জানান, সকালে নিহতের স্ত্রী জোৎস্না থানায় এসে লাশটি তার স্বামীর বলে জানান। পায়ের জুতা ও মুখমণ্ডলের ছবি, হাতের ঘড়ি ও কোমরের বেল্ট দেখে স্বামীর পরিচয় সনাক্ত করেন তিনি।

গাড়িতে আগুনের ঘটনায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে দক্ষিণ সুরমা থানায় দুটো মামলা হয়। এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদি হয়ে হত্যা মামলা (৭৮৮/২০১৬) এবং পরিবহন ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান বাদি হয়ে দ্রুত বিচার আইনে আরেকটি মামলা করেন।

মামলায় ১৪৩, ৩৪১, ৪৩৫, ৪২৭, ৩০২, ৩৪ দন্ডবিধির ধারাসমূহ উল্লেখ করা হয়।

মামলায় আসামি করা হয় বিএনপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলী, তৎকালীন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, বিএনপি নেতা এটিএম ফয়েজ, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, কোহিনুর (৩৮), আশিক (৩৫), মকছুদ আহমদ (৩৩), রাসেল (২৮), তোরন (৩০), সামছুল ইসলাম টিটু (৩১),এমএ মান্নান, অলিউর রহমান, কামাল হোসেন, রুবেল আমিন সুমন (কাউয়া সুমন), তোফায়েল আহমদ সুহেল, শরিফ আহমদ, আব্দুল কুদ্দুস, আব্দুল বাছিত, সুহেল, মো. কামরুজ্জামান, আজমল বখত সাদেক, শাকিল মোর্শেদ, শাহাব উদ্দিন, মো. শাহজাহান, শামীম (২৯), তাজুল ইসলাম (৩৯), আলী মিয়া (২৫), হোসেন আহমদ (২৬), ছালেক আহমদ (২৯) জোবায়ের আহমদ (২৮), ফখরুল ইসলাম ফারুক ওরফে টাকু ফারুক (৫৫), লুৎফুর রহমান (৩৮), মো. জাহেদ হোসেন (২৮), জালাল আহমদ (৪০), মুসা মিয়া (৩০), জিহাদ চৌধুরী (১৮), মো. আব্দুল মজিদ (৪২), মজম্মিল আলী (৩০), আঙ্গুর মিয়া (২৫) ও সুহেদুর রহমানকে (৩২)।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff